বেতাগী খামারি সোহাগের ৩০ মণ ওজনের ‘মহারাজ’ এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৩ লাখ টাকা দাম হাঁকিয়েছেন তিনি। তবে এখনো বিক্রি হয়নি। এবার ঈদে বিক্রি করতে না পারলে মহাবিপদে পড়তে হবে খামারি সোহাগকে।
অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি উপজেলার সদর ইউনিয়নের বটতলা গ্রামের উদ্যোক্তা হাফিজুর রহমান সোহাগ চার বছর ধরে লালন-পালন করে আসছেন। তার ব্যক্তিগত ‘জাহানারা এগ্রো ফার্ম’-এ মহারাজের বসবাস। প্রতিদিনই অনেকেই এটি দেখতে আসে গরুটিকে। অনেক ক্রেতা দামও বলেন, তবে পছন্দসই দাম না বলায় বিক্রি করেননি খামারি।
ফার্মের মালিক হাফিজুর রহমান সোহাগ বলেন, আদর করেই এর নাম রাখা হয় ‘মহারাজ’। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয়েছে। ক্ষতিকর কোনো ওষুধ কিংবা বিকল্প খাবার ছাড়াই মহারাজের ওজন প্রায় ৩০ মণ। এর দাম চেয়েছি ১৩ লাখ টাকা। তবে চলমান লকডাউনের কারণে সঠিক দামে বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। এদিকে এই ষাড় আরো এক বছর লালন করাও অসম্ভব।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এ উপজেলায় এ ষাঁড়টি সবচেয়ে বড়। স্থানীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরামর্শে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে।